1. mti.robin8@gmail.com : Touhidul islam Robin : Touhidul islam Robin
  2. newsnakshibarta24@gmail.com : Mozammel Alam : Mozammel Alam
  3. nakshibartanews24@gmail.com : nakshibarta24 :
শুক্রবার, ২৬ জুলাই ২০২৪, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন
১১ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্লাজমায় আশার আলো দেখছেন চিকিৎসকরা

  • প্রকাশকালঃ মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০
  • ২৩৩ জন পড়েছেন

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত কোনো ওষুধ বা প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। তাই বিভিন্নভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে এই রোগ নিরাময়ের। এরই অংশ হিসেবে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে প্লাজমা থেরাপি কার্যক্রম। গত রোববার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল, রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল ও ইউনাইটেড হাসপাতালে কয়েকজন করোনা রোগীর শরীরে প্লাজমা প্রয়োগ করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ হাসপাতালে প্লাজমা প্রয়োগ করা দুজন রোগীর মধ্যে একজনের উন্নতির দিকে। এরই মধ্যে ওই ব্যক্তি ৭০ শতাংশ ভালো হয়ে গেছেন বলে জানা গেছে। ফলে করোনা চিকিৎসায় প্লাজমা থেরাপিতেই আশার আলো দেখছেন চিকিৎসকরা।

পুলিশ হাসপাতালের উপপরিচালক এমদাদুর হক দৈনিক খোলা কাগজকে বলেন, আমরা গত রোববার দুজন করোনা রোগীর দেহে প্লাজমা প্রয়োগ করি। এর মধ্যে একজনের অবস্থা খুবেই ভালো। তাকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। আগে তিনি নিজে নিজে ৪০ শতাংশ ভেন্টিলেশন নিতে পারছিলেন আর কৃত্রিমভাবে ৬০ শতাংশ ভেন্টিলেশন দেওয়া হচ্ছিল। প্লাজমা প্রয়োগের পর তিনি নিজে নিজে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ভেন্টিলেশন নিতে পারছেন। বাকি ৩০ শতাংশ কৃত্রিমভাবে দেওয়া হচ্ছে। কাজেই বলা যায়Ñ প্লাজমা প্রয়োগ সফলতার দিকে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাও তাই মনে করছেন।

তবে এক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা কিছুটা ভালো থাকতে হবে বলে অভিমত দেন তিনি। প্লাজমা প্রয়োগ করা অপর রোগীর অবস্থা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অপর যে রোগীর দেহে প্লাজমা প্রয়োগ করা হয়েছিল গত শনিবার থেকেই তার অবস্থা ছিল সংকটাপন্ন। আমরা শেষ চেষ্টা হিসেবে তার দেহে প্লাজমা প্রয়োগ করি। কিন্তু দুভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, আমরা তাকে বাঁচাতে পারিনি।’

অন্যদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও করোনা রোগীদের দেহে প্লাজমা প্রয়োগ শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৪৫ জন গুরুতর অসুস্থ করোনা রোগীর ওপর ‘প্লাজমা থেরাপি’ প্রয়োগ করা হবে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের হেমাটোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মহিউদ্দিন আহমেদ খান (এম এ খান) গণমাধ্যমকে বলেন, এটি একটি পরীক্ষিত চিকিৎসা পদ্ধতি, বিশেষ করে যখন কোনো রোগের নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই এবং সুস্পষ্ট কোনো চিকিৎসা ব্যবস্থাও নেই। সে ক্ষেত্রে এটি একটি কার্যকর ও পরীক্ষিত চিকিৎসা পদ্ধতি।

তিনি বলেন, চীনে এই থেরাপি ব্যবহারের প্রথমদিকে ১০ জন অসুস্থ ব্যক্তির শরীরে এটি প্রয়োগ করে দেখা গেছে তারা সবাই দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন। অপরদিকে একই সময় অন্য দশজন অসুস্থ ব্যক্তির শরীরে প্লাজমা না দিয়ে প্রথাগত চিকিৎসা দেওয়ায় তাদের মধ্যে তিনজনের মৃত্যু ঘটে। তাই করোনা চিকিৎসায় এর সফলতা প্রমাণিত।

উল্লেখ, করোনায় সংক্রমিত হওয়ার পর যারা পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেন, তাদের প্রত্যেকের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। অর্থাৎ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে। করোনাজয়ী ব্যক্তির দেহে তৈরি অ্যান্টিবডি যদি করোনায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তির শরীরে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। অসুস্থ ব্যক্তির শরীরে করোনাজয়ীর অ্যান্টিবডি প্রয়োগের পর অনেকে সুস্থ হয়ে ওঠায় চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের অনেক দেশে প্লাজমা থেরাপির প্রয়োগ শুরু হয়েছে।

খবরটি সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

বিজ্ঞাপন

Laksam Online Shop

first online shop in Laksam

© All rights reserved ©nakshibarta24.com
কারিগরি সহায়তায় বিডি আইটি হোম