1. mti.robin8@gmail.com : Touhidul islam Robin : Touhidul islam Robin
  2. newsnakshibarta24@gmail.com : Mozammel Alam : Mozammel Alam
  3. nakshibartanews24@gmail.com : nakshibarta24 :
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
১২ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মানুষের হৃদয়ে আজও অম্লান ভাষা সৈনিক আবদুল জলিল সাবেক রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হক এমপিকে চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান মাদক কারবারিরা সমাজের বিষফোঁড়া : আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় মুজিবুল হক এমপি চৌদ্দগ্রাম মডেল কলেজে পিঠা উৎসব নির্বাচিত হলে স্বল্প সময়ের মধ্যে অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করবো : মুজিবুল হক চৌদ্দগ্রামে সোনালী সমাজ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ লাকসামে সাংবাদিকদের সাথে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলামের মতবিনিময় ব্যালটের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীদের জবাব দেবে জনগণ : মুজিবুল হক স্বাধীনতার প্রতীক নৌকা ভোট দিন- স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম  চৌদ্দগ্রামে বছরের শুরুতে বই পেয়ে উচ্ছাসিত শিক্ষার্থীরা

নাঙ্গলকোটে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু

  • প্রকাশকালঃ বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২০
  • ৩৩১ জন পড়েছেন

নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি :  নাঙ্গলকোটে ভুল চিকিৎসায় শিরিন আক্তার (২১) নামের এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে রায়কোট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিদর্শিকা ফেরদাউস আক্তারের বিরুদ্ধে। গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার মাহিনী বাজারের ওই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। নিহত প্রসূতি রায়কোট উত্তর ইউপির ছগরীপাড়া গ্রামের এয়াছিনের মেয়ে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকালে শিরিন আক্তারের ব্যথা উঠলে নিয়ে যাওয়া হয় রায়কোট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে। সেখানকার পরিদর্শিকা ফেরদাউস আক্তার একটি ছোট সিজারিয়ান করে নরমালে বাচ্চা ডেলিভারি করান। এর কিছুক্ষণ পরে অধিক রক্তক্ষরণ হয় শিরিনের, খিচুনি দিয়ে জ্ঞান হারিয়ে পেলেন। তাৎক্ষণিক ওই প্রসূতিকে উপজেলার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

জানা যায়, ফেরদাউস আক্তার আট বছর ধরে রায়কোট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিদর্শিকা পালন করে আসছেন। এর আগে গত সাত মাস আগে কুকুরিখিল গ্রামের এক প্রসূতি ও গত তিন মাস আগে ছগরীপাড়া গ্রামের জনি মোল্লার স্ত্রী সন্তান প্রসব করাতে এসে মারা যান। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে ওষুধ দেওয়া ও চেকাপ করাসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠে।

এ বিষয়ে নিহতের চাচা আমির হোসেন কান্নাজড়িত কণ্ঠে এ ঘটনার তদন্ত করে বিচারের দাবি জানান।

অভিযুক্ত পরিদর্শিকা ফেরদাউস জানান, তিনি সেলাইন দেওয়ার আগে বাচ্চার মাথা বেরিয়ে আসলে তিনি বাচ্চাটি বের করে আনেন। পরে দেখেন ওই প্রসূতির পিপিএস আছে। যতটুকু সম্ভব পিপএসের চিকিৎসা দিয়ে কুমিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেন। এদিকে নানা অনিয়মের বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. জাকির হোসেন বলেন, বিষয়টি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জেনেছি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খবরটি সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

বিজ্ঞাপন

Laksam Online Shop

first online shop in Laksam

© All rights reserved ©nakshibarta24.com
কারিগরি সহায়তায় বিডি আইটি হোম